তালেবানের হা’মলায় সোলাইমানির হ’ত্যাকারী নি’হত

তালেবানের হা’মলায় সোলাইমানির হ’ত্যাকারী নি’হত

ইরাক, ইরান এবং আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে মার্কিন গোয়েন্দা অভিযানের প্রধান মাইকেল ডি. অ্যান্ড্রু নি’হত হয়েছেন। আফগানিস্তানের গজনিতে তালেবানরা মার্কিন বিমান বিধ্বস্ত করলে তিনি মা’রা যান। রাশিয়ার গোয়েন্দারা এ তথ্য জানিয়েছে।রুশ গোয়েন্দারা বলছেন, ভূপাতিত করা বিমানে ছিলেন মাইকেল। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের ব্যবহার করা অত্যাধুনিক সরঞ্জামাদি এবং নথি তালেবানের হাতে রয়েছে।

আইএফপি নিউজের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের রেভ্যুলেশনারি গার্ডের কুদস ফোর্সের প্রধান লেফটেন্যান্ট কাসেম সোলাইমানিকে হ’ত্যার পেছনে ছিলেন মাইকেল ডি. অ্যান্ড্রু।মধ্যপ্রাচ্যে সিআইএ-র চেনা মুখ ছিলেন মাইকেল। কাসেম সোলাইমানিকে হ’ত্যার আগে ইরাকে অন্তত তিন শতাধিক বিক্ষো’ভকারীকে তার নির্দেশে হ’ত্যা করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত সোমবার ৮৩ জন যাত্রী নিয়ে আফগানিস্তানের গজনিতে যাত্রীবাহী একটি বিমান বিধ্ব’স্ত হয়। বিমানটি আফগানিস্তানের দক্ষিণ প্রান্ত থেকে কাবুলের দিকে যাচ্ছিল। দেহ ইয়াক অঞ্চলের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় বিমানটি বিধ্ব’স্ত হয়। ওই অঞ্চল তালেবান প্রভাবিত। এক প্রাদেশিক মুখপাত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।ওই প্রাদেশিক মুখপাত্র জানান, প্রযুক্তিগত কারণে বিমানটিতে আ’গুন লাগে। এতে বিমানটি বিধ্ব’স্ত হয়। তবে হ’তাহ’তের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। ওই বিমান দুর্ঘটনায় অনেকে হ’তাহ’ত হয়েছেন বলে আ’শঙ্কা করা হচ্ছে।

ডেইলি মিররের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনাস্থলে অনেক তালেবান সদস্য রয়েছে। তারা বিমানটিতে আরো আ’গুন লাগনোর চেষ্টা করছে। এদিকে, আফগান বিশেষ বাহিনী ঘটনাস্থলে দ্রুত যাচ্ছে। বিমানটির মালিকানা আরিয়ানা নামক একটি সরকারি বিমান পরিবহন কম্পানির। তবে বিমনাটি তাদের নয় বলে দাবি করছে সংস্থাটি।

আরিয়ানা আফগান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যাওয়া তাদের সকল বিমান নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছেছে এবং তাদের কোনো বিমান বিধ্ব’স্ত হয়নি। বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার পর এখন পর্যন্ত ঘটনাস্থলের সর্বশেষ অবস্থা জানা যায়নি।মার্কিন সরকারি কর্মকর্তারা অবশ্য তালেবানের দাবি নাকচ করে দিয়েছে। তাদের দাবি, তালেবান মিথ্যা দাবি করছে। তবে তালেবানের দাবি, বিমান বিধ্বস্তের খানিক পরেই তারা সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার ভূ’পাতিত করেছে।যদিও তালেবানরা এ ব্যাপারে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেয়নি।সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ছবিও তুলেছেন। সেখানে বিমান বিধ্বস্তের পর ধ্বংসাবশেষ পড়ে ছিল।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© ২০১৯-২০২০ | সময়ের আয়না কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত