সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
লেখাজোঁকা

রূপবৈচিত্র্যে অপরূপা হাকালুকি

আহবাব চৌধুরী খোকন • ৫ ঘণ্টা আগে • পঠিত: ৮ বার
রূপবৈচিত্র্যে অপরূপা হাকালুকি
নৈসর্গিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি হাকালুকি হাওর বাংলাদেশের মানুষের কাছে এক অতি পরিচিত এক নাম। প্রকৃতির রূপবৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ এই বিশাল জলাভূমি ঋতুভেদে ধারণ করে ভিন্ন ভিন্ন রূপ। মাছের প্রাচুর্যের জন্য বিখ্যাত এই হাওর শীতকালে পরিণত হয় অতিথি পাখির অভয়ারণ্যে। আবার অগ্রহায়ণ মাসে পাকা ধানের মৌ মৌ গন্ধে মুখরিত হয়ে ওঠে চারপাশের প্রকৃতি। শীতকালে নানা প্রজাতির পাখির কলকাকলিতে এখানকার পরিবেশ হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত। বিরল ও বৈচিত্র্যময় এসব পাখি দেখতে এ সময় এখানে ভিড় জমে প্রাণিবিজ্ঞানী, পরিবেশবিদ ও পর্যটকদের ।

বছর কয়েক আগে বর্ষাকালে হাকালুকি হাওর ঘুরতে গিয়েছিলাম।তখন চারদিকে অথৈ পানি। স্পিডবোটে হাওরের বিস্তীর্ণ জলরাশিতে ঘুরতে ঘুরতে মনে হয়েছিল, যেন অথৈ সাগরে ডুবে যাচ্ছি। পানির ছলাত্-ছলাত্ শব্দের সঙ্গে বাতাসের হু হু আওয়াজ মিলে এক অদ্ভুত পরিবেশের সৃষ্টি করেছিল। সেই অভিজ্ঞতায় ভয়ে শিহরিত হয়ে উঠেছিলাম।

কিন্তু এবার শীতকালে হাকালুকি হাওরে গিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক দৃশ্য চোখে পড়ল। চারদিকে কেবল সবুজ ধানখেত। যত দূর চোখ যায়, দৃষ্টিসীমাজুড়ে সবুজ ফসলের সমারোহ। কোথাও চোখে পড়ল না বিস্তীর্ণ জলরাশি। কৃষকেরা ক্ষেতে নিড়ানি দিতে দিতে মনের আনন্দে গলা ছেড়ে গান গাইছেন। মাঠে পাখপাখালির ছোটাছুটি ও বিচরণ দেখে মনে হচ্ছিল, যেন কোনো শিল্পীর আঁকা ছবির দৃশ্যপট।

একজন কৃষকের সঙ্গে আলাপকালে জানতে পারলাম, প্রতি বছর অক্টোবর মাস থেকে হাওরের পানি কমতে শুরু করে। নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে পানি অনেকটাই শুকিয়ে যায়। বিস্তীর্ণ জলাভূমির অনেক অংশ তখন শুকনো প্রান্তরের রূপ ধারণ করে। এ সময় হাকালুকি হাওর পরিযায়ী পাখিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়। একসময় পাখি শিকারের উদ্দেশ্যে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শিকারিরা এখানে ছুটে আসতেন। বর্তমানে পাখি শিকার আইনত নিষিদ্ধ হওয়ায় পাখি দেখতে পর্যটকদের আগমন ঘটে। অতিথি পাখির মধ্যে পাতিহাঁস, বালিহাঁস, ভুতিহাঁস, গিরিয়াহাঁস, গুটি ঈগল, কাস্তেচড়া, কুড়া ঈগল, পানভুলানি, টিটি সরালি, কালিম ও পেডি উল্লেখযোগ্য। দেশি প্রজাতির পাখির মধ্যে রয়েছে সাদা বক, কানি বক, পানকৌড়ি, চিলসহ আরও নানা প্রজাতির পাখি। সকাল ও সন্ধ্যায় পাখিদের সরব উপস্থিতি বিশেষভাবে লক্ষ করা যায়। খাবারের সন্ধানে তারা ঘুরে বেড়ায় হাওরের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে। দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে এখানে একাধিক ওয়াচ টাওয়ার রয়েছে। এসব টাওয়ার থেকে পর্যটকেরা বিশাল হাওরের অপরূপ রূপ-লাবণ্য অবলোকন করতে পারেন।

বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত হাকালুকি হাওর দেশের বৃহত্তম হাওরগুলোর অন্যতম। এটি মূলত সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলার বিভিন্ন উপজেলা জুড়ে বিস্তৃত। মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা, কুলাউড়া ও জুড়ী এবং সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ ও গোলাপগঞ্জ উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ে এই হাওরের অবস্থান। হাওরের আয়তন প্রায় ১৮ হাজার হেক্টর বলে উল্লেখ করা হয়। তবে বর্ষাকালে পানির বিস্তার বেড়ে তা প্রায় ২৪ হাজার ৭০০ হেক্টর পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। এই হাওরে রয়েছে ২৩৮টি বিল ও জলাশয়। চারপাশে বসবাসরত কয়েক লাখ মানুষের জীবন ও জীবিকা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই হাওরের ওপর নির্ভরশীল।

মিঠাপানির মাছের অন্যতম প্রজননক্ষেত্র হিসেবে হাকালুকি হাওরের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এখানে ৫২৬ প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। বাংলাদেশের জলজ উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৈচিত্র্য সংরক্ষণেও এই হাওরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ ছাড়া এখানে ১২ প্রজাতির উভচর, ৭০ প্রজাতির সরীসৃপ, ৫৯ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী, ১২ প্রজাতির কচ্ছপ এবং ১০৭ প্রজাতির মাছের অস্তিত্বের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এসব জীববৈচিত্র্য হাকালুকি হাওরকে পরিবেশগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চলে পরিণত করেছে।

হাওরটি মৌলভীবাজার জেলা শহর থেকে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত। পূর্বে পাথারিয়া পাহাড় এবং পশ্চিমে ভাটেরা পাহাড়ের মধ্যবর্তী বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চলজুড়ে এর অবস্থান। মূল লেখায় উল্লেখিত একটি হিসাব অনুযায়ী, হাওরের বিস্তৃতির মধ্যে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখায় ৪০ শতাংশ, কুলাউড়ায় ৩০ শতাংশ, সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জে ১৫ শতাংশ, গোলাপগঞ্জে ১০ শতাংশ এবং বিয়ানীবাজারে ৫ শতাংশ এলাকা অন্তর্ভুক্ত।

হাওরের উত্তরে ভারতের মেঘালয় পাহাড় এবং পূর্বদিকে ত্রিপুরা পাহাড়ের পাদদেশ অবস্থিত। উজানে বিস্তীর্ণ পাহাড়ি এলাকা থাকায় ভারী বৃষ্টিপাতের সময় পাহাড়ি ঢল নেমে হাকালুকি হাওর ও এর আশপাশের এলাকা প্রায়ই আকস্মিক বন্যায় প্লাবিত হয়। হাওরের বিশাল জলরাশির প্রবাহের সঙ্গে জড়িত প্রধান নদী দুটি হলো জুড়ী ও ফানাই। বর্ষাকালে ভারী বৃষ্টিপাতে হাওরসংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। তখন হাওরটি যেন এক বিশাল সাগরের রূপ ধারণ করে। এ কারণেই বর্ষাকালে জলরাশির অপরূপ দৃশ্য দেখতে এবং শীতকালে মাছ ও অতিথি পাখির বৈচিত্র্য উপভোগ করতে পর্যটকেরা এখানে ছুটে আসেন।
প্রতি বছর হাকালুকি হাওরে বিপুল পরিমাণ মাছ উৎপাদিত হয়। বিগত কয়েক বছরে এই হাওরে মাছের গড় উৎপাদন ছিল প্রায় ১৪ হাজার মেট্রিক টন। তবে মূল লেখায় উল্লিখিত তথ্য অনুযায়ী, গত বছর মাছের উৎপাদন প্রায় ২০ শতাংশ বেড়ে ১৭ হাজার মেট্রিক টনে পৌঁছায়।
মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশের বৃহৎ হাওরগুলোর মধ্যে হাকালুকি দেশের চারটি মাদার ফিশারিজের অন্যতম। এ হাওরের মাছ স্থানীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়। ফলে দেশের মৎস্য অর্থনীতিতে হাকালুকি হাওরের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তবে হাওরের মৎস্যসম্পদ নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। প্রতি বছর ধান পচে সৃষ্ট গ্যাস ও পানির গুণগত পরিবর্তনের কারণে হাওরের অনেক মাছ মারা যায় বলে স্থানীয়ভাবে অভিযোগ রয়েছে। একজন মৎস্য ব্যবসায়ীর সঙ্গে আলাপকালে জানতে পারলাম, এ বিষয়ে বিশেষ নজর দেওয়া হলে হাওরে মাছের উৎপাদন দ্বিগুণ করা সম্ভব হতে পারে। পাশাপাশি পরিকল্পিতভাবে প্রতি বছর কয়েক লাখ পোনা মাছ অবমুক্ত করা হলে মাছের উৎপাদন আরও বাড়ানো সম্ভব।

মৎস্যসম্পদের পাশাপাশি হাকালুকি হাওরাঞ্চল কৃষি উৎপাদনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রায় প্রতি বছরই আকস্মিক বন্যায় কৃষকের ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তা সত্ত্বেও এ অঞ্চলে বিপুল পরিমাণ ধান উৎপাদিত হয়।গত বছর বড়লেখা উপজেলায় ৫ হাজার ৩৭৩ হেক্টর জমিতে ৩৪ হাজার ৯২৪ মেট্রিক টন ধান উৎপাদিত হয়েছে। কুলাউড়া উপজেলায় ৮ হাজার ৬৬০ হেক্টর জমি থেকে উৎপাদিত হয়েছে ৫০ হাজার মেট্রিক টন ধান। অন্যদিকে, জুড়ী উপজেলায় ৫ হাজার ৭৭০ হেক্টর জমি থেকে উৎপাদিত হয়েছে ৩৮ হাজার মেট্রিক টন ধান।

এই পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যায়, হাকালুকি হাওরাঞ্চল বাংলাদেশের কৃষি ও মৎস্য অর্থনীতিতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। হাওরের প্রাকৃতিক সম্পদের যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলে উপকৃত হবেন স্থানীয় কৃষক, জেলে ও ব্যবসায়ীরা; একই সঙ্গে সমৃদ্ধ হবে দেশের অর্থনীতি।

হাকালুকি হাওরের বহুমাত্রিক সৌন্দর্য সহজেই পর্যটকদের আকৃষ্ট করে। দেশের বৃহত্তম ও সুপরিচিত হাওরগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। হাওর থেকে আহরিত সম্পদ দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে। যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা, পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে হাকালুকি হাওরকে কেন্দ্র করে একটি বৃহৎ পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলা সম্ভব।

কিন্তু যথাযথ ব্যবস্থাপনার অভাবে এখানে বেড়াতে আসা পর্যটকদের নানা ধরনের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। হাওরকে কেন্দ্র করে পর্যটনবান্ধব শিল্প গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি অতীতে বিভিন্ন সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হলেও বাস্তবে সেই প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন খুব একটা দেখা যায়নি। বরং হাওরের বিভিন্ন এলাকা জবরদখল করে কিছু জনপ্রতিনিধি, আমলা ও রাজনীতিবিদ ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অথচ হাওরের উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং পর্যটন অবকাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কার্যকর উদ্যোগের অভাব লক্ষ করা যায়।

হাকালুকি হাওরের লাভজনক জলমহালগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো চাতলা, চৌকিয়া, পিংলারকোণা, ফুটি, তুরাল, ডুলা ও তেকুনি। এ ছাড়া ছোট-বড় প্রায় ১০টি নদী হাওরটির ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। এসব জলমহাল ও নদী হাওরের মৎস্যসম্পদ, পরিবেশ ও স্থানীয় অর্থনীতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।

শীতকালে হাওরের দিগন্তবিস্তৃত সবুজের সমারোহ আর বর্ষাকালে পানির কল্লোলিত শব্দ সত্যিই দৃষ্টিনন্দন। দূর থেকে দেখলে প্রকৃতির আঁকা ছবির মতো মনে হয়। সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় হাওরের পানিতে সূর্যের প্রতিচ্ছবি এক মনোরম দৃশ্যের অবতারণা করে। শীত মৌসুমে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা পরিযায়ী পাখিরা এখানে সাময়িক আবাস গড়ে তোলে। শীত শেষে আবার ফিরে যায় আপন নীড়ে।

হাকালুকি হাওর শুধু প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের আধার নয়; এটি অসংখ্য মানুষের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা ও হাসি-কান্নার নীরব সাক্ষী। এই হাওর কারও জীবনে আশীর্বাদ, আবার কারও জীবনে দুর্ভোগের কারণ। একদিকে এটি মানুষের জীবিকা, খাদ্য ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার উৎস; অন্যদিকে আকস্মিক বন্যা, ফসলহানি, জলজ সম্পদের ক্ষয় এবং অব্যবস্থাপনা স্থানীয় মানুষের জীবনকে করে তোলে অনিশ্চিত।

হাওরের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলে এটি দেশের পর্যটনশিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পর্যটন অবকাঠামোর উন্নয়ন, পাখি ও মাছের অভয়াশ্রম সংরক্ষণ, জলমহালের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, পরিবেশবান্ধব নৌযান চলাচল এবং পর্যটকদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান বাড়বে এবং দেশের অর্থনীতিও লাভবান হবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের আকৃষ্ট করার মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।

দিনভর হাকালুকি হাওরের বিস্তীর্ণ এলাকা ঘুরে আমার মনে হয়েছে, রূপবৈচিত্র্যে অপরূপা হাকালুকি সত্যিই প্রকৃতির এক আশ্চর্য বিস্ময়। এর জলরাশি, সবুজ প্রান্তর, পাখির কলকাকলি, মৎস্যসম্পদ ও কৃষির সমৃদ্ধি—সব মিলিয়ে হাকালুকি বাংলাদেশের এক অনন্য প্রাকৃতিক সম্পদ। এই সম্পদ রক্ষা করা এবং এর সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো আমাদের সবার দায়িত্ব।হাকালুকি হাওরকে অবহেলা নয়, বরং যথাযথ পরিকল্পনা, পৃষ্ঠপোষকতা ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জাতীয় সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তাহলেই প্রকৃতির এই অপরূপ লীলাভূমি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষিত থাকবে এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারবে।

সম্পাদকের টেবিল থেকে
আহবাব চৌধুরী খোকন
সংবাদটি শেয়ার করুন:
Facebook Twitter WhatsApp

সম্পর্কিত খবর

ট্যাগ: হাকালুকি, হাকালুকি হাওর
১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫০ রাত